স্টাফ রিপোর্টারঃ
যুব অধিকার পরিষদের এক নেতাকে মোটা অঙ্কের টাকা না দেওয়ায় গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে-এমন অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে কটিয়াদী উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কটিয়াদী উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে কিশোরগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাবেক সদস্য সচিব জুনায়েদ খান বলেন, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে গণঅধিকার পরিষদ থেকে জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিককে মনোনয়ন দেওয়া হয়। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান শফিকুল ইসলামের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দাবি করা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত দুদিন আগে হাসান আহমেদ রমজান শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম শফিককে কিশোরগঞ্জ-২ আসনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এই অপপ্রচারের নিন্দা জানিয়ে বলেন, দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। তারা এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উল্লেখ্য, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাকুন্দিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে বলেন, মো. শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসাংগঠনিক ও শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণ করে আসছেন। তিনি অশালীন ভাষা ব্যবহার ও অসদাচরণের মাধ্যমে সংগঠনের ভেতরে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছেন। এছাড়া, সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন-এমন বহিরাগতদের দিয়ে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়। এসব কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছে এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন থেকে সর্বসম্মতভাবে তাকে বয়কট ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।
অভিযোগের বিষয়ে জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ রমজান বলেন, টাকা চাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। টাকা চাওয়ার প্রমাণ থাকলে তাকে দিতে বলেন।